Category: শরীয়তপুর পরিচিতি

  • জয় বাংলা এভিনিউ, নড়িয়া

    অবস্থান: পদ্মা সেতুর জিরো পয়েন্ট থেকে চাঁদুপুরের মোহনা পর্যন্ত পুরো ৩২ কিলোমিটার।

    শুভ উদ্বোধন:  শনিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন মুলফৎগঞ্জ পদ্মা নদীর পাড়ে মহান স্বাধীনতা দিবসে নড়িয়ার বেড়িবাঁধের পাশে সুরেশ্বর থেকে মোক্তারেরচর পর্যন্ত প্রায় ৮ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে ‘জয় বাংলা এভিনিউ’- উদ্বোধন করেছেন পানিসম্পদ উপমন্ত্রী শামীম।

    সব বয়সের লোকই এখানে এসে পর্যটন সৌন্দর্যের সুধা পান করে তৃপ্ত হচ্ছেন

    বিশেষত্ব: দেশের সর্ব বৃহৎ এ নদী ভিত্তিক পর্যটন এলাকা। জয়বাংলা এভিনিউ শরীয়তপুর জেলার অন্যতম জনসম্পৃক্ত দর্শনীয় স্থান।

    ইতিহাস:

    ২০১৮ সালে শরীয়তপুরে পদ্মার আগ্রাসী ভাঙনে নড়িয়া উপজেলার সাড়ে ৫ হাজারেরও বেশি পরিবারের সর্বস্ব খোয়ানোর যে চিত্র বিশ্ববাসী দেখেছিল তা যেন এখন কেবলই অতীত। সময়ের পরিক্রমায় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিরলস পরিশ্রমের ফসল নড়িয়া জয় বাংলা এভিনিউ এখন শরীয়তপুরের বিনোদন প্রেমীদের উচ্ছাসের নাম।
    ঈদ উৎসবে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা শরীয়তপুর সদরের সিবু মিত্র বলেন, পাঁচ বছর আগেও যেখানে এ বর্ষা মৌসুমে পদ্মার আগ্রাসনে সব হারানোদের আর্তনাদের সুর ধ্বনিত হতো সেখানে এখন প্রতিধ্বনিত হতে আনন্দ উল্লাসের সুর। ভাঙন আতংক এখন কেবলই ধূসর স্মৃতি।

    জয়বাংলা এভিনিউর সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ:

    পদ্মা সেতুর জিরো পয়েন্ট থেকে চাঁদুপুরের মোহনা পর্যন্ত পুরো ৩২ কিলোমিটার পদ্মা পাড়কে দেশের সবচাইতে বড় নদী ভিত্তিক পর্যটন এলাকা রূপে দেখার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র বলিষ্ঠ নেতৃত্বের ফলে গড়ে ওঠা দেশের সর্ব বৃহৎ এ নদী ভিত্তিক পর্যটন এলাকায় এখন শুধু পর্যটন ভিত্তিক বানিজ্যিক এলাকা হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত হয়নি সুযোগ তৈরি হয়েছে মানুষের কর্মসংস্থানেরও।
    শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম আহসান হাবীব বাসস’কে বলেন, বাস্তবায়িত ১০.২ কিলোমিটর পদ্মার ডান তীর রক্ষা বাঁধ এখন পদ্মার ভাঙন রোধের সীমানা ছাড়িয়ে পরিণত হয়েছে যে কোন উৎসবকে রাঙিয়ে তোলার স্থানে। বিনোদনের উপলক্ষকে আরো বাড়িয়ে দিতে পরিকল্পিত রক্ষা বাঁধের কাজ এগিয়ে চলছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ শেষ করতে পারলে আগামী ৩-৪ বছরের মধ্যেই পদ্মা সেতুর জিরো পয়েন্ট থেকে মেঘনার মোহনা পর্যন্ত স্থায়ী রক্ষা বাঁধ নির্মাণ সম্পন্ন হবে।
    পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম মোবাইল ফোনে জানান, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা শরীয়তপুরের পদ্মার ভাঙন রোধে আন্তরিক ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের ফসলই হচ্ছে শরীয়তপুরের একমাত্র বিনোদন কেন্দ্র আজকের নড়িয়া জয় বাংলা এডিনিউ। আমরা ইতিমধ্যে সখিপুরের উত্তরতারাবুনিয়া এলাকার ৫.৮ কিলোমিটার স্থায়ী রক্ষা বাধের কাজ শুরু করেছি। পদ্মা সেতুর জিরো পয়েন্ট থেকে চাঁদপুরের মোহনা পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার রক্ষা বাধের প্রস্তাবনা এখন একনেকে অপেক্ষমান। আশা করছি আগামী একনেকে এটি অনুমোদনের মধ্যদিয়ে বঙ্গকন্যা শরীয়তপুরের ভাঙন কবলিত পদ্মা পাড়ের পদ্মা সেতুর জিরো পয়েন্ট থেকে মেঘনার মোহনা পর্যন্ত ৩২ কিলোমিটার এলকাকেই নদী ভিত্তিক পর্যটন এলাকায় পরিণত করবেন। এটি তখন আর বাংলাদেশেরই সবচাইতে দীর্ঘতম নদী ভিত্তিক পর্যটন এলকা হবে না, হবে বিশে^র অন্যতম নদী ভিত্তিক পর্যটন এলাকা। যা শুধু ভাঙনই রোধ করবে না পাল্টে দিবে এ অঞ্চলের অর্থনীতির চাল-চিত্রও।

    শরীয়তপুরের বিনোদন প্রেমীদের উচ্ছাস:

    শুধু ঈদ-পার্বন নয় এখন যে কোন উৎসবেই শরীয়তপুরের ভ্রমণ পিপাসুদের পছন্দের এক নম্বর তালিকায় নদী ভিত্তিক এ পর্যটন কেন্দ্রটি। নির্দিষ্ট সময়ে রক্ষা বাঁধের কাজ শেষ হওয়ায় শরীয়তপুরবাসী এখন স্বপ্নে বিভোর সরেজমিনে দেখা গেছে, ঈদুল আজহা উৎসবে বৈরি আবহাওয়াও নড়িয়া জয় বাংলা এভিনিউতে জনসমুদ্রের বাঁধ সাধতে পারেনি। পরিণত হয়েছে উৎসবের মিলন মেলায়। সব বয়সের লোকই এখানে এসে পর্যটন সৌন্দর্যের সুধা পান করে তৃপ্ত হচ্ছেন। ভেসে যাচ্ছেন উচ্ছাসের হাওয়ায়।
    নড়িয়ার ‘জয় বাংলা এভিনিউ’ অনেকে  মিনি কক্সবাজার বলে থাকেন। প্রতিদিন হাজারো পর্যটকের পদচারণা মুখরিত হয় পদ্মার পাড়। ঈদের ছুটিসহ অবসরে পারিবারিক বিনোদনের জন্য নড়িয়া উপজেলার পদ্মা পাড়ের ‘জয় বাংলা এভিনিউ’ রূপ নিয়েছে মিনি কক্সবাজারে। প্রতিদিন ভ্রমণপিপাসুদের উপচে পড়া ভিড়ে জয় বাংলা এভিনিউ এখন মুখরিত থাকে।

    জয়বাংলা এভিনিউ ঘিরে ছোট বড় অনেক প্রতিষ্ঠান:

    জয়বাংলা এভিনিউ সংলগ্ন পদ্মা রিভার ভিউ রেষ্টুরেন্ট এন্ড পার্টি সেন্টারের স্বত্তাধিকারী আসাদুজ্জামান বিল্পব বলেন, ঈদ- উপলক্ষে উপচে পড়া পর্যটকদের সামাল দিতে এখানে গড়ে ওঠা ৪টি রেষ্টুরেন্ট যথেষ্ট নয়। ফলে আরো অনেকেই উদ্যোগ নিচ্ছেন। এছাড়াও জয় বাংলা এভিনিউকে ঘিরে কফিসপ, ফুচকা ও চটপটিসহ নানা মুখরোচক খাবারের ১৫টিরও বেশি ভ্রাম্যমাণ দোকান রয়েছে। এখানে পদ্মার ভাঙনে সর্বস্ব হারানোদের র্কসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

    তথ্যসুত্র:   বাসস (বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা),   আরটিভি,   ভোরের কাগজ

  • মহিসার গণকবর

    শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার মহিসার ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত এ গণকবরস্থান। একাত্তর সালের ১৮/১৯ জুলাই স্টুয়ার্ড মুজিবের নেতৃত্বে অর্ধশত মুক্তিযোদ্ধার একটি দুর্ধর্ষ গেরিলা দল (এফএফ) ভেদরগঞ্জ থানা আক্রমণ করে। আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত পাক বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকারদের বিরুদ্ধে হালকা অস্ত্র ও অদম্য সাহস এবং মনোবল নীয়ে প্রচণ্ড যুদ্ধে তারা লিপ্ত হয়। আর এ যুদ্ধে শহীদ হয় বীর মুক্তিযোদ্ধা আক্কাস আলী মিয়া। মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি শরীয়তপুরের প্রথম শহীদ। এই যুদ্ধে আক্কাস সহ মোট ১০ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। ভেদরগঞ্জের মহিষার কবরস্থানে এ শহীদরা ঘুমিয়ে আছেন। সে সময় থেকে এটিকে গণকবরস্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

     

    তথ্যসুত্র: বাংলাদেশ.গভ.বিডি

  • শরিয়তপুর সুপার সার্ভিস
    (শরীয়তপুর জেলার বাস পরিচিতি)

    শরীয়তপুর সুপার সার্ভিসের বাস কাউন্টার 
    শরীয়তপুর বাসষ্টান কাউন্টার -01325-122884
    জাজিরা কাউন্টার — 01325–122885.
    কাজির হাট কাউন্টার — 01325–122886
    নাওডোবা কাউন্টার — 01325–122887.
    ঢাকা যাত্রাবাড়ী কাউন্টার — 01325–122888



    নাগেরপাড়া ভাইয়া সুবচনী টু শরীয়তপুর

     স্থান সুবচনী বাজার টাওয়ার সংলগ্ন কাশেম সর্দারের দোকান

    ফোন: 01910362263, 01751-820805

     

    শরীয়তপুর থেকে ফরিদপুর

    যোগাযোগ:

    শরীয়তপুর ঃ 01732512284 01406220452

    ফরিদপুর : 01725610250 01737775393

    পরিচালনায় : শরীয়তপুর জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপ ও ফরিদপুর জেলা মিনি বাস মালিক গ্রুপ

    এ পেজের তথ্য গুলো বিভিন্ন সুত্র থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে , সরাসরি শরিয়তপুর সুপার সার্ভিস কতৃৃপক্ষ থেকে নয় ।

  • Bismillah it and computer training center

    Owner: Arfin Hridoy

    Address:

    1.Dogree bazar,naria,shariatpur.

    2.Kajir hat national bank first floor,jajira,shariatpur.

    3.Premtola,Shariatpur sador,Shariatpur

    bismillahitctc@gmail.com

    Phn.01905139676,01996100784,01902030502

     

     

  • ভৌগলিক পরিচিতি

    শরীয়তপুর জেলা ও ৬টি উপজেলার ভৌগলিক অবস্থান

     

    ক্রমিক নং
    জেলা/উপজেলা
    আয়তন (বর্গ কিঃমিঃ)
    উত্তর অক্ষাংশ
    পূর্ব দ্রাঘিমাংশ
    ০১
    শরীয়তপুর
    ১১০২.৪৫
    ২৩.০১থেকে ২৩.২৭
    ৯০.১৩ থেকে ৯০.৩৬
    ০২
    শরীয়তপুর সদর
    ১৭৫.০৮
    ২৩.০৮ থেকে ২৩.১৮
    ৯০.১৪ থেকে ৯০.২৩
    ০৩
    জাজিরা
    ২৩৯.৬০
    ২৩.১৬ থেকে ২৩.২৭
    ৯০.১৩ থেকে ৯০.২৬
    ০৪
    নড়িয়া
    ২১৮.৭০
    ২৩.১৪ থেকে ২৩.২৫
    ৯০.১৮ থেকে ৯০.৩০
    ০৫
    ভেদরগঞ্জ
    ২৪৬.২০
    ২৩.০৮ থেকে ২৩.২৪
    ৯০.২৩ থেকে ৯০.৩৬
    ০৬
    ডামুড্যা
    ৯১.০০
    ২৩.০৬ থেকে ২৩.১২
    ৯০.২০ থেকে ৯০.৩০
    ০৭
    গোসাইরহাট
    ১৩৩.১০
    ২৩.০১ থেকে ২৩.১০
    ৯০.২০ থেকে ৯০.৩৪

    তথ্যেও উৎস : :Bangladesh Population Census, 2001

    শরীয়তপুর জেলার-

    ·        উত্তরে মুন্সিগঞ্জ জেলা,

    ·        দক্ষিণে বরিশাল জেলা,

    ·        পূর্বে চাঁদপুর জেলা এবং

    ·        পশ্চিমে মাদারীপুর জেলা অবস্থিত।


    তথ্যসুত্র: শরীয়তপুর জেলা তথ্য বাতায়ন   

     

  • জেলার পটভুমি

    ইতিহাস সমৃদ্ধ বিক্রমপুরের দক্ষিণাঞ্চল এবং প্রাচীনবরিশালের ইদিলপুর পরগণার কিছু অংশ নিয়ে বর্তমান শরীয়তপুর জেলা গঠিত।বাংলাদেশের মুক্তির সংগ্রামে শরীয়তপুরবাসীর ভূমিকাও উল্লেখযোগ্য। স্বাধীনতাপরবর্তীকালে জেলাটি ফরিদপুরের মাদারীপুর মহকুমার অন্তর্ভূক্ত ছিল। ১৯৭৭সালের ৩ নভেম্বর বিশিষ্ট সমাজ সংস্কারক ও ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেতাহাজী শরীয়ত উল্লাহর নামানুসারে শরীয়তপুর  নামকরণ করা হয়। ১৯৮৪ সালেশরীয়তপুর জেলায় উন্নীত হয়। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, শরীয়তপুর এর ওয়েবপোর্টালে সকলকে স্বাগতম। এদেশে কম্পিউটারের বা তথ্য প্রযুক্তির প্রচলন খুবএকটা বেশী দিনের নয়। তবে বাঙালী জাতি তথা বাংলাদেশীরা তথ্য প্রযুক্তির সাথেনিজেদের খাপ খাইয়ে নেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে আন্তরিকভাবে। স্বপ্ন দেখতেশুরু করেছে তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর বাংলাদেশ গড়ার। গণতান্ত্রিক সরকার  জনগণের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপদানের  লক্ষ্যে ২০২১ সালের জন্য ভিশন নির্ধারণকরেছে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’। ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রকল্পের অংশ হিসেবে শরীয়তপুরজেলার অর্ন্তভুক্তি নিঃসন্দেহে আনন্দের ও তাৎপর্যের। জেলা ওয়েবপোর্টাল-এটি শুধু দেশের মানুষের জন্য সুখকর নয়, বিদেশে অবস্থানকারীদেরজন্যেও হিতকর। আশা ও বিশ্বাস, শরীয়তপুর জেলা ওয়েব পোর্টাল সৃষ্টির ফলে জনগণউপকৃত হবে। সুশাসন ও ডিজিটাল বাংলাদেশ সৃষ্টির  লক্ষ্যে ডিজিটাল কর্মসূচীএক ধাপ এগিয়ে চলার অনুপ্রেরণা  যোগাবে। শরীয়তপুর জেলা ডিজিটাল পদ্ধতির সাথেএকযোগে কাজ করতে পারলে  শরীয়তপুরবাসীর সাথে আমরাও নিজেদেরকে ডিজিটালবাংলাদেশের অংশ হিসেবে ভাবতে পেরে আনন্দিত হবো। যারা এ কাজটির সাথেসংশ্লিষ্ট থেকে কাজটি সম্পন্ন করতে সহায়তা করেছে তাদেরসহ সকলকে ধন্যবাদ ওকৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

  • এক নজরে শরীয়তপুর

    ক্রমিক নং বিষয় একক শরীয়তপুর
    ১ আয়তন বর্গ কি.মি ১১৮১
    ২ উপজেলা সংখ্যা ৬
    ৩ থানা সংখ্যা ৭
    ৪ পৌরসভা সংখ্যা ৬
    ৫ ইউনিয়ন সংখ্যা ৬৫
    ৬ ওয়ার্ড সংখ্যা ৪৫
    ৭ মৌজা/মহল্লা সংখ্যা ৬১৬
    ৮ গ্রাম সংখ্যা ১২৪৩
    ৯ সিটি কর্পোরেশন সংখ্যা —
    ১০ সংসদীয় আসন সংখ্যা ৩
    ১১ মোট জনসংখ্যা
    (২০০১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী) লাখ ১০.৮০
    ১২ পুরুষ লাখ ৫.৪৩
    ১৩ নারী লাখ ৫.৩৭
    ১৪ জনসংখ্যার ঘনত্ব বর্গ কি.মি ৯১৪
    ১৫ লিঙ্গ অনুপাত অনুপাত ১০১.১
    ১৬ মোট ভোটার সংখ্যা ৬২৩৩০৫
    ১৭ পুরুষ সংখ্যা ৩০৪০৪৮
    ১৮ নারী সংখ্যা ৩১৯২৫৭
    ১৯ গৃহস্থালির আকার গৃহ প্রতি সংখ্যা ৫.১
    ২০ গৃহস্থালির মোট সংখ্যা লাখ ২.১৩
    ২১ নারী প্রধান গৃহ গ্রামীণ কৃষজীবী গৃহস্থের % ৫.৫৭
    ২২ টেকসই দেয়ালসম্পন্ন ঘর মোট গৃহস্থের (%) ৩৫
    ২৩ টেকসই ছাদসম্পন্ন ঘর মোট গৃহস্থের (%) ৬২
    ২৪ বিদ্যুৎ সংযোগ সম্পন্ন ঘর মোট গৃহস্থের (%) ১০
    ২৫ প্রাথমিক স্কুল সংখ্যা ৭৭২
    ২৬ নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল সংখ্যা ১৯
    ২৭ মাধ্যমিক স্কুল সংখ্যা ৮৩
    ২৮ মাদ্রাসা সংখ্যা ৪২
    ২৯ কলেজ সংখ্যা ১৬
    ৩০ পাকা ও আধাপাকা রাস্তা কি.মি. ২৭৩
    ৩১ কাঁচা রাস্তা কি.মি. ২০৬৬
    ৩২ রাস্তার ঘনত্ব কি.মি/বর্গ কি.মি ০.৮০
    ৩৩ হাট-বাজার সংখ্যা ৮৮
    ৩৪ বাজারের ঘনত্ব বর্গ কি.মি/সংখ্যা ৪৯
    ৩৫ লঞ্চ ঘাট সংখ্যা ১০
    ৩৬ ফেরী ঘাট সংখ্যা ০১
    ৩৭ মোট আয় কোটি টাকা ১৪৬২
    ৩৮ মাথাপিছু আয় টাকা ১২৯৩৬
    ৩৯ কর্মরত শ্রম শক্তি (১৫+বছর) হাজার ১৪৬১০
    ৪০ কর্মরত নারী (খাদ্য বা অর্থের বিনিময়ে) % (১৫-৪৯ বয়স দল) ২৫
    ৪১ কৃষি শ্রমিক গ্রামীণ গৃহস্থের (%) ৩১
    ৪২ মোট জমি হেক্টর ১১৮২৩৪
    ৪৩ মোট কৃষি জমি হেক্টর ৮২৪৭৬
    ৪৪ মাথাপিছু কৃষি জমির পরিমান হেক্টর ০.০৭
    ৪৫ জেলে গ্রামীণ গৃহস্থের (%) ০.০৭
    ৪৬ বদ্ধ জলাশয় হেক্টর ২০৭৯
    ৪৭ উন্মুক্ত জলাশয় হেক্টর ৩৪০৯৪
    ৪৮ দরিদ্র্ মোট গৃহস্থের (%) ৪৪
    ৪৯ অতি দরিদ্র মোট গৃহস্থের (%) ২১
    ৫০ প্রাথমিক স্কুলে ভর্তির হার ৬-১০ বছর শিশু (%) ৮৩
    ৫১ স্বাক্ষরতার হার (৭+ বছর) মোট জনসংখ্যা (%) ৩৮
    ৫২ পুরুষ % ৪১
    ৫৩ নারী % ৩৫
    ৫৪ স্বাক্ষরতার হার (১৫+ বছর) মোট জনসংখ্যা (%) ৪১
    ৫৫ পুরুষ % ৪৭
    ৫৬ নারী % ৩৬
    ৫৭ গ্রামীণ পানি সরবারাহ (সক্রিয় টিউবওয়েল) প্রতি গড় জনসংখ্যা ৮৪
    ৫৮ কল অথবা নলকুপের পানির সুবিধাপ্রাপ্ত ঘর মোট গৃহস্থের (%) ৯২
    ৫৯ স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানার সুবিধাপ্রাপ্ত ঘর মোট গৃহস্থের (%) ৩৬
    ৬০ হাসপাতালের শয্যাপতি জনসংখ্যা (সরকারী) জন/শয্যা ৪৮৭৫
    ৬১ নবজাতক মৃত্যুর হার প্রতি হাজারে ৪৪
    ৬২ < ৫ বছর শিশু মৃত্যুর হার প্রতি হাজারে ৫
    ৬৩ অতি অপুষ্টির হার % ৮
    ৬৪ ছেলে % ৪
    ৬৫ মেয়ে % ১৩
    ৬৬ মাতৃ মৃত্যুর হার প্রতি হাজারে ৪
    ৬৭ আধুনিক জন্মনিয়ন্ত্রন গ্রহনকারী নারী % ৩৮


    তথ্যসুত্র: শরীয়তপুর জেলা তথ্য বাতায়ন

  • শরীয়তপুর জেলার প্রথম যা কিছু !!

    শরীয়তপুরের প্রথম মহকুমা প্রশাসক ঃ
    স্বাধীনতার পর ১৯৭৬ সালে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয় মাদারীপুর এর পূর্বাঞ্চল নিয়ে একটি মহকুমা গঠন করা হবে। ১৯৭৭ সালের ১০ আগষ্ট রেডিওতে সরকার কর্তৃক মহকুমা গঠনের ঘোষণা দেয়া হয় এবং ঐ বছর ৩ নভেম্বর এ মহকুমার আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতির অন্যতম উপদেষ্টা জনাব আব্দুল মোনেম খান। আর শরীয়তপুর জেলার প্রথম মহকুমা প্রশাসক ছিলেন জনাব আমিনুর রহমান। তিনি ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত কাজ করেন।

    শরীয়তপুর জেলার প্রথম কলেজঃ
    শরীয়তপুর জেলার প্রথম কলেজ পূর্ব মাদারীপুর ডিগ্রি কলেজ। এটি ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ডামুড্যায়। পূর্বে ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমলে এ অঞ্চলের লোকেরা সাধারণত উচ্চ মাধ্যমিক, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার জন্য মাদারীপুর, চাঁদপুর, নারায়নগঞ্জ, ঢাকা, ফরিদপুর ও বরিশাল অঞ্চলে গিয়ে পড়াশোনা করতো।

    শরীয়তপুর জেলার প্রথম মাধ্যমিক স্কুলঃ
    সমগ্র শরীয়তপুর জেলার ইতিহাসে দেখা যায় সবার আগে গোসাইর হাটের “ ইদিল পুর মাধ্যমিক পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়” প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮৮৪ সালে স্থাপিত হয়। এর পর ১৮৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় পালং উচ্চ বিদ্যালয়, উপাসী তারা প্রসন্ন উচ্চ বিদ্যালয় এবং তুলাসার গুরুরাম উচ্চ বিদ্যালয়।

    প্রথম দায়রা জজঃ
    শরীয়তপুর জেলা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরে জেলা ও দায়রা জজের নেতৃত্বে বেশ কজন জজ জেলার বিচার ব্যবস্থা পরিচালনা করেছেন। জনাব একেএম ফজলুর রহমান ১৯৮৯ সালের জুন মাসে শরীয়তপুর জেলার প্রথম জেলা ও দায়রা জজ হিসাবে শরীয়তপুরে যোগদান করেন। জনাব একেএম ফজলুর রহমান সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অন্যতম বিচারপতি।

    সুত্রঃ শরীয়তপুর অতীত ও বর্তমান (আবদুর রব শিকদার)।

     

    শরীয়তপুর জেলার প্রথম পেট্রোল পাম্প

    গ্লোরী ফিলিং স্টেশন

    ঠিকানা: সদর রোড, শরীয়তপুর।

    তথ্য সুত্র: শরীয়তপুরস্থ বরিশাল বিভাগীয় কল্যান সমিতি কর্তৃক প্রকাশিত ম্যাগাজিন (16 ডিসেম্বর 2010)

     

    শরীয়তপুর জেলার প্রথম পত্রিকা

    শরীয়তপুর জেলার প্রথম পত্রিকা অবলাবান্ধব।

    পত্রিকা সম্পাদনার বিষয়ে প্রথমেই বলতে হয় নড়িয়া থানার লোনসিং গ্রামে বসবাসকারী দ্বারকনাথ গঙ্গোপাধ্যায় এর কথা। দ্বারকনাথ লোনসিং থেকে অবলাবান্ধব নামে একটি পত্রিকা প্রকাশ করেন, এটি তৎকালীন বিক্রমপুরের প্রথম পত্রিকা সে হিসেবে এটি শরীয়তপুরেরও প্রথম পত্রিকা। এর প্রথম  সংখ্যা প্রকাশিত হয় ১০ জ্যৈষ্ঠ, ১২৭৬ সালে অর্থাৎ ইংরেজি ১৮৬৯ সালের ২৪ মে। পত্রিকাটি ঢাকার সুলভযন্ত্র থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হতো বলে এটি ঢাকার সংবাদপত্রের অর্ন্তভুক্ত করা যায়। অবলা বান্ধব ঢাকার প্রথম নারীবিষয়ক পত্রিকাও বটে। ১৮৭০ সালে সম্পাদক কলকাতায় চলে গেলে সেখান থেকেই অবলা বান্ধব প্রকাশিত হতে থাকে।

    জেলার প্রথম বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ঃ  

    জেড. এইচ. সিকদার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকাল: ২০১২ খ্রিষ্টাব্দ
    ধরণ : বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়।
    অনুমোদনকারীঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)
    ঠিকানাঃ মধুপুর, কার্তিকপুর,ভেদরগঞ্জ, শরীয়তপুর।

    ওয়েবসাইট: www.Zhsust.edu.bd.

    প্রতিষ্ঠাতা: বিশিষ্ট শিল্পপতি জয়নুল হক সিকদার ।

    শরীয়তপুর জেলা ও বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়টির বিশেষত্বঃ 
    ————————–————————–———————-
    ১. সবুজ প্রাকৃতিক পরিবেশে শহুরে কোলাহল মুক্তদেশের একমাত্র বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়;
    ২. বাংলাদেশের অন্যতম আবাসিক প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়;
    ৩. জেলার একমাত্র ও প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্ববিদ্যালয়;
    ৪. শরীয়তপুর জেলার একমাত্র ও প্রথম বেসরকারী ও বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়;
    ৫. শরীয়তপুর জেলা প্রশাসন কর্তৃক ”দর্শনীয় স্থান” হিসাবে স্বিকৃত;

    শরীয়তপুর ছাড়া দেশের বিভিন্ন জেলার ছাত্র-ছাত্রী গণ এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে।

    * নির্দিষ্ট শর্তের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করা যায়।

    * ক্যাম্পাসের পাশে মিনি চাইনিজ ও রেস্তোরা রয়েছে।

    যাতায়াত:  শরীয়তপুর থেকে বাসে অথবা অটোতে করে ভেদরগঞ্জ গিয়ে রিক্সায় করে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া যায়।

    প্রথম মেডিকেল কলেজ ঃ

    মনোয়ারা সিকদার মেডিকেল কলেজ

    ঠিকানাঃ মধুপুর, কার্তিকপুর, ভেদরগঞ্জ, শরীয়তপুর

    প্রতিষ্ঠাতা: বিশিষ্ট শিল্পপতি জয়নুল হক সিকদার ।

     শরীয়তপুর জেলা সম্পর্কে তথ্য দিয়ে আমাদের সহায়তা করুন। 

  • শরীয়তপুর জেলার নদনদী

    শরীয়তপুর জেলা কীর্তিনাশা নদীর তীরে অবস্থিত। এ জেলার উল্লেখযোগ্য অসংখ্য নদীর মধ্যে রয়েছে পদ্মা, মেঘনা, দামুদিয়া, আরিয়াল খাঁ। এ সকল নদীর অসংখ্য শাখা নদীও রয়েছে।

    শরীয়তপুর সদর উপজেলাঃ  কীর্তিনাশা,বিণোদপুর ও পালং নদী এবং নড়িয়া খাল উল্লেখযোগ্য।

    জাজিরা উপজেলাঃ             প্রধান নদী পদ্মা।

    গোসাইরহাট উপজেলাঃ       প্রধান নদী মেঘনা ও জয়ন্তী নদী।

    ডামুড্যা উপজেলাঃ             প্রধান নদী পদ্মা ও জয়ন্তী।

    নড়িয়া উপজেলাঃ              পদ্মা ও পালং। নড়িয়া খাল উল্লেখযোগ্য।

    ভেদরগঞ্জ উপজেলাঃ           পদ্মা ও মেঘনা নদী এবং বাংলাবাজার খাল উল্লেখযোগ্য।

    বিভিন্ন নদনদীর বিবরণ

    পদ্মা নদী

    পদ্মা বাংলাদেশের একটি প্রধান নদী। এটি হিমালয়ে উৎপন্ন গঙ্গানদীর প্রধান শাখা এবং বাংলাদেশের ২য় দীর্ঘতম নদী। বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ শহর রাজশাহী এই পদ্মার উত্তর তীরে অবস্থিত। পদ্মার সর্বোচ্চ গভীরতা ১,৫৭১ ফুট (৪৭৯ মিটার) এবং গড় গভীরতা ৯৬৮ফুট (২৯৫ মিটার)।রাজা রাজবল্লভের কীর্তি পদ্মার ভাঙ্গনের মুখে পড়ে ধ্বংস হয় বলে পদ্মার আরেক নাম কীর্তিনাশা।

    গতিপ্রকৃতিঃ হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে থেকে উৎপন্ন গঙ্গা নদীর প্রধান শাখা চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় (মানাকোসা ও দুর্লভপুর ইউনিয়ন) বাংলাদেশে প্রবেশ করে,এখান থেকে নদীটি পদ্মা নাম ধারণ করেছে। গঙ্গার অন্য শাখাটি ভগীরতি নামে ভারতে হুগলীর দিকে প্রবাহিত হয়। উৎপত্তিস্থল হতে ২২০০ কিলোমিটার দূরে গোয়ালন্দে যমুনা নদীর সাথে মিলিত হয়ে মিলিত প্রবাহ পদ্মা নামে আরো পূর্ব দিকে চাঁদপুর জেলায় মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। সবশেষে পদ্মা-মেঘনার মিলিত প্রবাহ মেঘনা নাম ধারণ করে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের সাথে মিলিত হয়।

    দৈর্ঘ্যঃ পদ্মা বাংলাদেশের ২য় দীর্ঘতম নদী,এর দৈর্ঘ্য ৩৬৬ কিলোমিটার।
    উপনদী এবং শাখানদীঃ  পদ্মার প্রধান উপনদী মহানন্দা ও পুনর্ভবা। মহানন্দা উপনদীটি চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলায় এবং পুনর্ভবা বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পদ্মার বিভিন্ন শাখানদীর মধ্যে গড়াই, আড়িয়াল খাঁ, কুমার, মাথাভাঙ্গা, ভৈরব ইত্যাদি অন্যতম। আবার পদ্মার বিভিন্ন প্রশাখা নদীসমূহ হলো- মধুমতী, পশুর, কপোতাক্ষ ইত্যাদি। এই নদীগুলো কুষ্টিয়া, যশোর, ঝিনাইদহ, নড়াইল, মাগুরা, বাগেরহাট, ফরিদপুর, মাদারীপুর, বরিশাল, পটুয়াখালি ইত্যাদি জেলার উপর দিয়ে বিস্তৃতি লাভ করেছে।

    কীর্তিনাশা নদী

     

     

    তথ্য সুত্র: শরীয়তপুর জেলা তথ্য বাতায়ন